আট টুকরো মরদেহ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা গ্রেফতার

রোববার (০২ অক্টোবর) তাকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার জবানবন্দি অনুযায়ী ওইদিন সন্ধ্যায় কালীগঞ্জের নাগরী এলাকায় তার ভাড়া বাড়ির ঘর থেকে নিহতের রক্তমাখা জামা কাপড় ও হত্যায় ব্যবহৃত আলামত জব্দ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকসুদের রহমান।

আরও পড়ুন: ছুরিকাঘাতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী পলাতক

গ্রেফতার শাহীন সাতক্ষীরা জেলার তালা থানাধীন এলাকার বাসিন্দা। সে কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মানিক মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকত।

নিহত সবুজ উপজেলার একই ইউনিয়নের ভাসানিয়া গ্রামের অমূল্য বার্নার্ড ঘোষালের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের পানজোড়া গ্রামের পূর্বাচল অ্যাপারেলস লিমিটেডে কোয়ালিটি চেকার (কিউসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পিবিআই পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া হত্যায় ব্যবহার করা বেশকিছু আলামতও জব্দ করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।

আরও পড়ুন: পূজা দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কর্মস্থল পূর্বাচল অ্যাপারেলস লিমিটেডের ফ্যাক্টরির উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন সবুজ। রাতে বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। সন্ধান না পেয়ে পরদিন বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কালীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নিহতের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী। পরে নিখোঁজের তিন দিন পর শনিবার (১ অক্টোবর) সকালে তিন খণ্ড ও সন্ধ্যা পর্যন্ত একটি পায়ের কিছু অংশ ছাড়া মরদেহের সাতটি খণ্ড উদ্ধার করা হয়। রোববার (২ অক্টোবর) বাকি অংশসহ মরদেহের আট টুকরো উদ্ধার করা হয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*