চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ, পুলিশের বাধা

বাধ্য হয়ে পিছু হটে জাদুঘরের সামনেই অবস্থান নেয় তারা। করোনার কারণে দুই বছর পিছিয়ে গেছেন তারপরও সেশনজটের কারণেও আটকে গেছে অনেক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা। এমন পরিস্থিতিতে বিসিএস ছাড়া অন্য চাকরিতে শুধু ৩০ বছরের প্রার্থীদের সময় বাড়ানোকে প্রহসন বলছেন আন্দোলনকারীরা।

তারা বলেন, ১৯৯১ সালে যে ত্রিশের শৃঙ্খল আমাদেরকে বেঁধে দেয়া হয়েছিল, সেই শৃঙ্খলেই আমাদেরকে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। চাকরির বয়স চলে যাচ্ছে, কিন্তু এখনো আমরা আমাদের পরিবারকে সাপোর্ট দিতে পারছি না। এটা আমাদের ব্যর্থতা না, এটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা।

সন্ধ্যার দিকে পুলিশ আবারো আন্দোলনকারীদের চলে যেতে বলেন। তবে, পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে তারা অবস্থান কর্মসূচী চালিয়ে যান।

আরও পড়ুন: রেলের চাকরিতে আর্থিক লেনদেন না করার অনুরোধ

আন্দোলনকারীরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩০ করে দেয়ার কারণে বেসরকারি চাকরিতেও বয়স ৩০ বছরেই থামিয়ে দেয়া হয়।

এর আগে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে ১০ সেপ্টেম্বর শাহবাগ মোড় আটকে আন্দোলন করলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। আহত হন বেশ কয়েকজন।

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*