মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনার সেই মোহাম্মদ আলীর ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু

জাতীয় সারাবাংলা বিশ্ব বিনোদন খেলা জীবনযাপন ইসলামী জীবন ভাইরাল প্রথম পৃষ্ঠা শেষ পৃষ্ঠা খবর শুভসংঘ
হোম
অনলাইন
জাতীয়
সারাবাংলা
সারাবিশ্ব
বাণিজ্য
বিনোদন
বিবিধ
চাকরি
রিপোর্টার্স ডায়েরি
খেলাধুলা
জীবনযাপন
তথ্যপ্রযুক্তি
পাঠককণ্ঠ
ইসলামী জীবন
পরবাস
ভাইরাল
কর্পোরেট কর্নার
ইসলাম ও মুসলিম বিশ্ব
বই মেলা
শুভসংঘ
কালের কণ্ঠ যুগপূর্তি
এশিয়া কাপ ২০২২
আজকের পত্রিকা
প্রথম পাতা
শেষের পাতা
খেলা
খবর
শিল্প বাণিজ্য
দেশে দেশে
প্রিয় দেশ
টুনটুন টিনটিন
ইসলামী জীবন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
চিঠিপত্র
রংবেরং
ফিচার
A টু Z
মুঠোয় বিশ্বকাপ
শিলালিপি
লাভ ক্ষতি
ঈদ সংখ্যা ২০২২
ঈদ সংখ্যা ২০২১
ঈদ উৎসব ২০২২
ডাক্তার আছেন
নারী দিবস বিশেষ সংখ্যা
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০২১
ঈদ আনন্দ
ঈদ বিনোদন
ই-পেপার

মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনার সেই মোহাম্মদ আলীর ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু
মাগুরা প্রতিনিধি
২ অক্টোবর, ২০২২ ১৭:২২

মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনার সেই মোহাম্মদ আলীর ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু
মোহাম্মদ আলী

Share

মাগুরার আলোচিত মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ ও মোমিন ভূঁইয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোহাম্মদ আলী (৪৫) মারা গেছেন। স্বজনরা এটাকে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করছেন। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার রাতে সদর উপজেলার কালীনগর গ্রামে এক আত্মীয়র বাড়িতে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মোহাম্মদ আলীর ভাই ফারুক হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘শনিবার তিনি সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এ সময় খোঁজ নিতে তার মোবাইল নম্বরে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। শেষ রাতে তার ছেলে লিমন জানায় বাবা স্ট্রোক করেছে। তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় মোহাম্মদ আলীর মরদেহ ট্রলিতে রাখা হয়েছে। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে জানায় হাসপাতালে আনার এক ঘণ্টা আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তারা মনে করছে মোহাম্মদ আলীকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে তার প্রথম স্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনরা হত্যা করেছে।’
তবে মোহাম্মদ আলীর প্রথম স্ত্রী রিনা খাতুন জানান, তাদের ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে দুটি ছেলেসন্তান রয়েছে। তার স্বামী দ্বিতীয় স্ত্রীর কারণে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তিতে ছিলেন। এসব বিষয়ে কথা বলতে শনিবার সকালে তাকে মাগুরা শহরে ডাকা হয়। পরে তারা কালীনগরে খালাতো বোনের বাড়িতে যান। সেখানে রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে রাত ২টার দিকে আলী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত মাগুরা হাসপাতালে আনলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন বলেও জানান তিনি।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, যেহেতু পরিবার থেকে এটিকে অস্বভাবিক মৃত্যু বলে দাবি করছে, সে কারণে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

২০১৫ সালের ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় শহরতলির দোয়ারপাড় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন সাড়ে সাত মাসের গর্ভবতী গৃহবধূ নাজমা বেগম। এ সময় তার গর্ভে থাকা শিশুটিও গুলিবিদ্ধ হয়। একই সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হন বৃদ্ধ আব্দুল মোমিন ভূঁইয়া। ওই রাতে মাগুরা সদর হাসাপতালের চিকিৎসকরা ঝুঁকি নিয়ে অস্ত্রোপচার করে মা ও গর্ভে থাকা শিশুটির জীবন বাঁচান।
অন্যদিকে ২০১৫ সালের ২৪ জুলাই রাতে গুলিবিদ্ধ বৃদ্ধ আব্দুল মোমিন ভূঁইয়া মাগুরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় নিহত মোমিন ভূঁইয়ার ছেলে রুবেল ২৬ জুলাই মাগুরা সদর থানায় ১৬ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলায় দুই নম্বর আসামি ছিলেন মোহাম্মদ আলী। মামলাটি বর্তমানে মাগুরার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*