দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

ওই ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল আ’গ্নেয়গিরি থেকে গড়ে ৬৮০ কিলোমিটার দূরে ছিল। ২০২১ সালে মে ও জুনেও দুটি ভূ’মিকম্প ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকায় আ’ঘাত হানে।

রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩-এর বেশি। ১৯৮৮ সালে সিলেটে মাঝারি থেকে বড় আকারের ভূমিকম্প দেখা দিয়েছিল, রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৮।

ওই ভূমিকম্পে টেকটোনিক প্লেটের গভীরতা ছিল প্রায় ৪৫ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলের হিসাবে চার মাত্রার ভূমিকম্পকে হালকা ধরে নেওয়া হয়। অন্যদিকে ছয় থেকে সাত মাত্রার ভূ’মিকম্পকে শক্তিশালী হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়।

এ মাত্রার ভূ’মিকম্পে মানুষ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। এ পর্যন্ত বিশ্বে প্রায় ৩৭টির বেশি বড় ধরনের ভূ’মিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।রিখটার স্কেলে যেগুলোর মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫-এর বেশি।

ওই মাত্রার ভূমিকম্পে আ’ক্রান্ত দেশগুলো হলো- চিলি, আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, জাপান, আফ্রিকা,

বাংলাদেশ, কলোম্বিয়া, চীন, রাশিয়াসহ বিশ্বের বহু দেশ। বাংলাদেশে ওই ঐতিহাসিক ভূমিকম্পটি ১৭৬২ সালের দিকে চট্টগ্রাম অঞ্চল দিয়ে প্রবেশ করেছিল।

জিওগ্রাফিক্যালি বাংলাদেশের অবস্থান ভূ’মিকম্প জোনে। ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনে ভূ’মিকম্পের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির অনেকটা আ’শঙ্কা রয়েছে। সুতরাং জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট ভূ’মিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় মানুষকে সচেতন হতে হবে। এ অবস্থায়, পরিকল্পিত নগরায়ণ, পাহাড় কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা, বনায়নের পরিমাণ বৃদ্ধি, পরিকল্পিত শিল্পায়ন, নদীর নাব্য বৃদ্ধি এবং শিল্পায়নে বায়ুমণ্ডলে নির্গত গ্রিন হাউজ গ্যাস কমিয়ে ভূ’মিকম্পসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দু’র্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *