মোবাইলে প্রেম করেছে মেয়ের, কিন্তু বিয়ে হচ্ছে মেয়ের মায়ের সাথে বিস্তারিত ভিতরে দেখুন

স্ত্রী’র দু’ধ চোষা হারাম নয়। ত‌বে স্ত্রীর দু’ধপান করা বড় গোনা‌হের কাজ; অর্থাৎ নাজা‌য়েয। তাই স্ত্রীর দুগ্ধপান থে‌কে অবশ্যই বিরত থাক‌তে হ‌বে।

আর স্ত্রীর স্ত’ন চোষা বা হাত-মুখ দি‌য়ে আদর করায় কোন সমস্যা নেই; বরং এ‌তে স্ত্রী বে‌শি সু’খলাভ ক‌রে। ইসলামী‌ দৃ‌ষ্টি‌কোণ থে‌কে স্ত্রীর দু’ধ পান করা পা‌পের কাজ।

আল্লাহ তায়ালা স্ত্রী জা‌তির দু’ধ তা‌দের অবুঝ স’ন্তানের জন্য নির্ধারিত ক‌রে দি‌য়ে‌ছেন।য‌দি কখনও স্ত্রীর স্ত’ন চো’ষার ফলে, দু’ধ বেরিয়ে মুখে চলে আসে তাহলে সে দু’ধ কণ্ঠনালীতে যাওয়ার পূর্বেই ফে’লে দিতে হবে।

এজন্য স‌র্বোত্তম হ‌লো, স্ত’ন থে‌কে দু’ধ বে‌রি‌য়ে আসার আশংকা থাক‌লে কিংবা স্ত্রীর স্ত‌নে দু’ধ থাকাবস্থায় স্ত’ন চোষা থে‌কে বিরত থাকাই উত্তম কাজ। স্ত্রীর উ‌ত্তেজনা বা দম্প‌তির দাম্পত্য চা‌হিদা মেটাবার জন্য স্ত্রীর স্ত’ন টিপুনি, মর্দন,

ঠোট বোলা‌নো, চু’ম্বন করা জায়েয আছে।স্ত্রীর দু’ধ চোষা হারাম নয়। ত‌বে স্ত্রীর দু’ধপান করা বড় গোনা‌হের কাজ; অর্থাৎ নাজা‌য়েয।স্ত্রীর উ‌ত্তেজনা বা দম্প‌তির দাম্পত্য চা‌হিদা মেটাবার জন্য স্ত্রীর স্ত’ন টিপুনি, মর্দন, ঠোট বোলা‌নো, চু’ম্বন করা জায়েয আছে। স্ত্রীর দু’ধ চোষা হারাম নয়। ত‌বে স্ত্রীর দু’ধপান করা বড় গোনা‌হের কাজ; অর্থাৎ নাজা‌য়েয

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *